Spread the love

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহরের শিশু হাসপাতাল থেকে দিনদুপুরে ইজিবাইকসহ মোবাইল এবং নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

গত ২ জুন (রবিবার) বেলা আনুমানিক ১২ টার সময় সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালের ভিতরে ওই ঘটনাটি ঘটে। ছিনতাইকারীর কবলে পড়া ব্যক্তি সাতক্ষীরা সদরের শাল্যে গ্ৰামের আহাদ আলীর ছেলে আশরাফুজ্জামান।

এ ব্যাপারে আশরাফুজ্জামান জানান,” ওই দিন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের পাশ থেকে দুইজন জনৈক ব্যক্তি আমার ইজিবাইক দাঁড় করিয়ে সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালে রোগী দেখতে যাওয়ার জন্য রিজার্ভ করে। পরে আমি তাদের নিয়ে শহরের প্রধান সড়ক ( ইটাগাছা-কদমতলা) দিয়ে শিশু হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ করলে তাদের মধ্যে একজন ব্যক্তি আমার ইজিবাইক থেকে নেমে হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ করে এবং অন্য ব্যক্তিকে বলে তুমি ইজিবাইকে বসো আমি রোগীর সাথে দেখা করে আসি। এই বলে ঐ ব্যক্তি আনুমানিক ২০ মিনিটের মতো হাসপাতালের ভিতর অবস্থান করে ফিরে এসে বলে কিছু সময় অপেক্ষা করো রোগী রিলিজ নিচ্ছে আমরা তোমার ইজিবাইকে রোগী নিয়ে যাবো। পরে ঐ ব্যক্তি পাশের দোকান থেকে একটি পানির বোতল কিনে এনে তিনি সহ অন্য ব্যক্তি খাওয়ার পর আমাকে বলে খুব গরম পড়ছে তুমি একটু পানি খেয়ে নাও। আমি সরল বিশ্বাসে খাওয়ার পরে আমার সাথে কি ঘটেছে আর কিছু বলতে পারি না।” এ ঘটনার পরে সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালের পক্ষ থেকে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে সদর হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ এলাকার ইউপি সদস্যকে অবহিত করলে তার পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় দুই দিন পর তাকে বাসায় নিয়ে আসলেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারিনি।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালে যোগাযোগ করলে তারা জানান, ছিনতাইকারীর কবলে পড়া ব্যক্তিকে তারা দ্বিতীয় তলার টয়লেটের পাশ থেকে অবচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে আশরাফুজ্জামানের পিতা জানান,” দুই মাস আগে তিনি সমিতি থেকে লোন নিয়ে তার ছেলেকে একটি ইজিবাইক কিনে দেন। এখনো ইজিবাইকের শো-রুমে টাকা বাকি আছে। ইজিবাইকটি ছিল আমাদের পরিবারের আয়ের উৎস। এখন আমি খুব অসহার মধ্যে। আমি প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।” এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ অভিযোগ করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো রহস্য উদ্ধার হয়নি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *