কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ার অন্যতম সিনিয়র সাংবাদিক ও দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সহ-সম্পাদক  অধ্যাপক শেখ জাভিদ হাসান কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসারত রয়েছেন। 

নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে তিনি গত ৮ দিন এখানে ভর্তি রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর শয্যাপাশে অবস্থান করে চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন সংবাদকর্মীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

শেখ জাভিদ হাসান জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রচন্ড এ্যাসিডিটি ও প্রেশারে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে যশোরের এক বিশেষঞ্জ ডাক্তারের চিকিৎসাসেবা নেন। একটু সুস্থ্যতা বোধ করে সেখান থেকে তিনি বাড়ি ফেরেন। ৬ ফেব্রুয়ারি ফের অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার স্বল্পতা থাকায় মানগত চিকিৎসাসেবা মিলছে না বলে জানান তিনি।

সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যান্য রোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেলো, সারাদিনে মাত্র এক বার রাউন্ডে আসেন ডাক্তার। রাতে রোগীদের খোঁজ নেওয়ার মতো কেউ থাকে না। রোগীদের এই অসহায়ত্ব চলছে দীর্ঘদিন ধরে।

জানা গেছে, ডাক্তার স্বল্পতার সাথে যোগ হয়েছে ডাক্তারদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ। এর ফলে যে ডাক্তাররা এখানে কর্মরত ছিলেন তাঁরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের কারণে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। যার চরম মূল্য দিচ্ছেন এখানে ভর্তি হওয়া রোগীরা। টিএইচও ডা: কামরুল ইসলাম ছাড়া আর কোনো ডাক্তারের দেখা মেলে না সহসা অভিযোগ রোগীদের। রোগীরা চাইছেন, এই বিরূপ অবস্থার অবসান ঘটুক, অচিরেই।

এদিকে অধ্যাপক শেখ জাভিদ হাসানের সুস্থতা কামনা করেছেন উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল খায়ের, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি সাংবাদিক সাইফুল্যাহ আজাদ, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আখতার আসাদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান, কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খান চৌধুরী পলাশ, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সাংবাদিক এমএ সাজেদ, মিয়া ফারুক হোসেন স্বপন প্রমুখ।