এসভি ডেস্ক: ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ‘রাজাকার’ এবং তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে মন্তব্য করায় দিলরুবা আক্তার নামের এক নারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হয়েছে। দিলরুবা ময়মনসিংহ যুবলীগের নিহত নেতা সাজ্জাদ আলম শেখ আজাদের স্ত্রী।

মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের ১ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি করেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের ময়মনসিংহ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে শাহীন।

মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক রোজিনা খান বিকেলে দিলরুবা আক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান আল হোসাইন তাজ জানান, গত ২৮ আগস্ট শহরের গাঙ্গিনারপাড় মোড় এলাকায় এক কর্মসূচিতে আজাদ শেখের স্ত্রী দিলু ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমানকে রাজাকার ও বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে বক্তব্য দেন। এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রীর মানহানি হয়েছে। তাই আদালতে এ মামলা করা হয়।

তিনি বলেন, মামলার আসামি নয়জন হলেও দিলুর বক্তব্য শুনে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২৮ আগস্ট দুপুরে শহরের ফিরোজ জাহাঙ্গীর চত্বরে আয়োজিত এক মানববন্ধনে দিলরুবা আক্তার দিলু জনসম্মুখে ধর্মমন্ত্রী আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমানকে ‘রাজাকার’ বলে আখ্যায়িত করে বক্তব্য প্রদান করেন।

আসামীগণ এই মর্যাদাহানিকর, কুরুচিপূর্ণ উক্তিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে দেশ-বিদেশে প্রচার হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমানকে হেয়প্রতিপন্ন ও তার মানসম্মান বিনষ্ট করা হয়েছে।

আসামিদের ওই উক্তি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিদ্বেষমূলক, অসৎ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। তাই একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে সংক্ষুব্ধ হয়ে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩১ জুলাই নিহত হন মহানগর যুবলীগ সদস্য সাজ্জাদ আলম আজাদ শেখ।

পরে শুক্রবার (৩১ আগস্ট) রাতে দিলরুবা আক্তার তার স্বামীকে খুনের দায়ে ধর্মমন্ত্রীর ছেলে ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্তকে প্রধান আসামি করে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।