শিক্ষককে ‘টাক’ বলায় সাত শিক্ষার্থী বহিষ্কার! – Satkhira Vision

March 5, 2021, 4:10 pm

সংবাদ শিরোনাম :
কলারোয়া: আ’লীগ নেতার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে দলীয় প্যাডে স্বাক্ষর নিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলায় কমেছে আম চাষ! আবহাওয়া, বাজার ধর নিয়ে চিন্তিত আম চাষীরা সাতক্ষীরা: প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠিত শ্যামনগর: প্রাইভেটকারে ঘুরতে বের হয়ে লাশ হলেন শ্যালক-বোনাই! তালা: কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেফতার সাতক্ষীরা: খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করলো বৃদ্ধ জেলায় কমেছে আম চাষ! আবহাওয়া, বাজার ধর নিয়ে চিন্তিত আম চাষীরা সাতক্ষীরা: ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ কাথন্ডার মাকফুর গ্রেফতার সাতক্ষীরা: করোনার টিকা নিলেন পিপি আব্দুল লতিফ সাতক্ষীরা: মাহিন্দ্রা চালকদের উপর বাস শ্রমিকদের হামলা, আহত ৮
শিক্ষককে ‘টাক’ বলায় সাত শিক্ষার্থী বহিষ্কার!

শিক্ষককে ‘টাক’ বলায় সাত শিক্ষার্থী বহিষ্কার!

এসভি ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. একেএম রেজাউল করিমকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘টাক’ বলাসহ অশোভন মন্তব্য করায় ওই বিভাগের সাত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৩০ জুলাই) সকালে বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক নোটিসে এ বহিষ্কারের কথা জানা যায়। গত ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সভায় বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বহিষ্কৃতরা হলো ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের খাইরুন নিসা ও উম্মে হাবিবা তানজিলা; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মিনহাজুল আবেদিন, ফাতিমা ও সামিরা মাহজাবিন; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল্লাহ-হীল-বাকী ও অদিতি সরকার। এরমধ্যে খাইরুন নিসা ও মিনহাজুল আবেদীনকে এক বছর ও বাকিদের ছয় মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার সময় পরীক্ষার হলে অধ্যাপক ড. একেএম রেজাউল করিম কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। অন্য শিক্ষার্থীরাও সেখানে নিজেদের ক্ষোভের কথা প্রকাশ করে মন্তব্য করে। একজন শিক্ষার্থী ওই শিক্ষককে ‘টাক’ বলেও মন্তব্য করে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় বিভাগের একাডেমিক কমিটি তদন্ত করে দেখে।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে গত ১০ জুলাই সিন্ডিকেটের সভায় ওই শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মেয়াদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করে ২০ দিন পর বিভাগের নোটিস বোর্ডে শিক্ষার্থীদের নামসহ বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. মাহফুজা খানম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে আমার কোনও মন্তব্য নেই।’

প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বহিষ্কার করা হয়েছে গত ১০ জুলাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একজন শিক্ষককে নিয়ে অশোভন মন্তব্য করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাদের বিভিন্ন মেয়াদের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।’


 

 




All rights reserved © Satkhira Vision

Design & Developed BY Asha IT